সেই ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি দিনে কম করে ৮ গ্লাস জল খাওয়া উচিত। মা বার বার বলতেন, তাই এখনও ভালো ছেলের মতো রোজ ৮ গ্রাস জল খেয়ে থাকি। কিন্তু কেন বলুন তো এই পরিমাণ জল খেতে হয়? না খেলেই বা কী হয়? মানব শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ জল দিয়ে তৈরি। তাই তো নিদির্ষ্ট পরিমাণ জল পান না করলে শরীরের নানা কাজে বাঁধা আসে।
ফলে দেখা দেয় নানা রোগ। আর তাছাড়া সেই আদি কাল থেকে দিনে ৮ গ্লাস জল খাওয়ার নিয়ম চালু রয়েছে। তাই এই নিয়ম মানলে যে কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনও কারণ নেই। শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিলে শরীর শুকতে শুরু করে। আর এমনটা হলে ক্লান্তি, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোরা, শরীরের নানা জায়গায় ভিষণ যন্ত্রণা, অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেওয়া সহ মানুষের মৃত্য়ু পর্যন্ত হতে পারে। তাই আর দেরি না করে জেনে নিন দৈনিক ৮ গ্লাস জল পান আদৌ জরুরি কিনা।
তথ্য ১: ২০০২ সালে এই বিষয়ের উপর একটি গবেষণা হয়েছিল। তাতে অংশ গ্রহণ করা সুস্থ মানুষদের উপর পরীক্ষা করে দেখা হয়েছিল দৈনিক ৮ গ্লাস জল খাওয়া প্রয়োজনীয়তা আদৌ আছে কিনা।
তথ্য ২: দুটি দলের উপর চালানো হয়েছিল এই গবেষণা। একটা দলকে দিনে ৮ গ্রাস জল খেতে বলা হয়েছিল। আর আরেকটা দলকে বলা হয়েছিল যখনই তেষ্টা পাবে, জল খাবেন। কোনও নিয়ম মেনে জল খেতে হবে না।
তথ্য ৩: কয়েক মাস ধরে চলা এই গবেষণার পর বিষেজ্ঞরা এর রিপোর্ট পর্যালোচনা করা শুরু করেন।
তথ্য ৪: দেখা যায় যারা ৮ গ্লাস জল খেয়েছিলেন যারা, তাদের শারীরিক অবস্থা অনব্য় আরেকটি দলের সদস্য়দের মতোই। দুই দলের মধ্য়ে শরীরগত দিক থেকে কোনও ফারাকই হয় নি।
তথ্য ৫: তাই সবশেষে বলতেই হয় যে, দিনে ৮ গ্লাস জল খেতেই হবে, এমন কোনও দেওয়াল লিখন নেই। যখন তেষ্টা পাবে, তখন যতটা ইচ্ছা জলপান করুন। তাহলেই সুস্থ থাকবেন।
তথ্য ৬: বেশি বা কম, কোনওটাই ভালো নয়। বেশি জল খেলেও অসুবিধা হতে পারে, আবার কম খেলেও দেখা দিতে পারে ডিইহাইড্রেশনের মতো সমস্য়া। তাই এক্ষেত্রে একটাই নিয়ম মেনে চলুন- তেষ্টা পাবে যখন জল খান। নচেৎ এই নিয়ে ভাবার কোনও প্রয়োজন নেই।
পিএনএস ডেস্ক : গার্লফ্রেন্ডকে ইমপ্রেস করা হোক বা পছন্দের কোনও মহিলাকে ইমপ্রেস করতে আপনি নিশ্চয় অনেক পরিশ্রমই করে থাকেন৷ কিন্তু জানেন কি কিছু ছোট ছোট বিষয় আপনি মাথায় রাখলেই কেল্লাফতে হয়ে যেতে পারে৷ যারা জানেন না তাঁরা কিন্তু একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন এই লেখায়৷ হয়তো কোনও কিছু মিস করে যাওয়া টিপস্ আপনার কাজে লেগেও যেতে পারে৷
১) আপনার পছন্দের নারীর জীবনে প্রায় সুপারম্যান হয়ে উঠতে হবে আপনাকে, কিভাবে? তাঁর বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে তাকে ভরসা দিন আপনিই সেই মিঃ রাইট যে তার হাত কখনোই ছাড়বে না৷
২) চুল এবং ড্রেস এই দুটির বিষয়ে কিন্তু যত্নবান হতে হবে আপনাকে৷ ক্যাজুয়াল থাকুন কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে মাথায় রাখুন এই বিষয় গুলিও৷
৩) সব কথা মুখ না বললেও চলে৷ চোখে চোখে কথা বলার কায়দা রপ্ত করুন৷ তার পাশাপাশি চোখে চোখে রেখেও কথা বলার অভ্যেস করে ফেলুন৷ বেশি লাজুক হলেই কিন্তু গন কেস হয়ে যেতে পারেন৷
৪) পারফিউম ব্যবহার করেন না অনেকেই৷ সেক্ষেত্রে আপনাকে বলে রাখা ভালো, ভালো সুগন্ধী কিন্তু আপনার ইমপ্রেস করার কাজটি অনেক মসৃণ করে দেবে৷ তাই একটু গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে কিনে ফেলতে পারেন ভালো পারফিউম৷
৫) তাঁর মেসেজের সব সময় জবাব দেন, অতিরিক্ত খেয়াল রাখেন? এমন কাজ কিন্তু ভুলেও করবেন না৷ প্রেমের শুরুর আগে মাঝে মাঝে এই বিষয়টিতে হালকা একটু ব্রেক দিন৷ খাবারে যেমন নুন পরিমিত দেওয়া প্রযোজন তেমনই কিন্তু এই ব্রেকও যেন হয় পরিমিত৷ নাহলে ভোকাট্টা হয়ে যেতে পারে পুরো প্ল্যান৷
৬) হালফিলে দাড়ি-গোঁফ কিন্তু লেটেস্ট ট্রেন্ড বলতে পারেন৷ তাই আপনার চেহারার সঙ্গে যদি বিষয়টি মানানসই হয় তাহলে আজই ভাবনা চিন্তা করতে পারেন দাড়ি-গোঁফ নিয়ে৷
৭) আরও একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, চলাফেরা এবং টেবলে বসে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে একটু নজরকাড়া অ্যাটিটিউড থাকতে হবে৷ আর বাড়ি থেকেই শুরু করুন এই ‘স্টাইল মে রহনে কা পর্ব’, তবেই পরীক্ষার সময় এক চান্সেই পাশ করবেন৷
কি বিশ্বাস হচ্ছে না? একবার তাহলে ট্রাই করেই দেখুন৷




